Bengal Institute of Oriental Studies

VASTU SHASTRA

Bengal Institute of Oriental Studies (BIOS), Kolkata 700104.
Email: info@orientalheritage.org


India is one of the ancient civilizations of the world with its history going back as far as Indus valley civilization. House and family has always been an important part of Indian life, culture and history. House has always been considered as a living being and has been designed as the adobe of Gods. Vastu Shastra principles which have been developed over the ages were the guiding principles for the construction of house, town planning, temple architecture and sculpturing in India for centuries. Vastu in context of Vastu Shastra means place where immortals and mortals dwell. It has been classified into various elements of nature which are: earth, fire, water, air and sky/space.
British introduced to India new concept of municipal administration and development control regulations (DCR). Over a period of time, the DCR has given an industrial outlook to the city rather than individual and regional characteristics of the Vastu Shastra. These are very fixed rules which had no inclination or consideration towards the climatic, directional, and site characteristics. This paper tries to critically analyse both the approaches and their individual characteristics and tries to evolve a middle path.

INTRODUCTION:
India is an ancient civilization which is renowned for the various progresses it has made on various disciplines like: Science, Mathematics, Medicine, architecture and Culture. In each of this area it had established scientific methods of practice like – Ayurveda, yoga, Vastu Shastra, Vedic Mathematics, Astrology etc. These disciplines were conceived and developed on the basis of strong scientific research and patronage of the ancient rulers. These were the some of the factors behind cultural development and economic prosperity along with the fact that India was a very fertile land. Vastu Shastra which is also known as Hindu Architecture is a Sanskrit word. In Sanskrit the word “Vastu” means a building or structure or a dwelling and “Shastra” means science so the expression “Vastu Shastra” is the science of structures/ buildings to prepare fertile ground for seed of life to flower and eternally experience the ‘Sat-Chid-Anand’ (the eternal bliss). The fundamental concept behind Vastu Shastra is that world is made up of five basic elements: Earth, water, fire, air and space and it is purely based on some of the following basic principles of science:
• The gravitational and magnetic force of the earth
• Rotation of the earth on its axis, and the centrifugal and other forces created by its movement.
• Energy is neither created nor destroyed. There is a constant flow of energy.
It’s a vast and highly developed branch of learning. This science basically explains how to achieve harmony between all the five elements so that there is balance between human and nature. It gifts us with a technology to create buildings with regenerative properties of peace, prosperity and love. Vastu Shastra was used even in 6th Century B.C. But the application of Vastu Shastra along with other indigenous traditional methods of construction slowed down after 10th century AD because of increase in foreign invasions to India. And during the British rule in India Vastu Shastra was referred to as inferior to new scientific out look that was brought in.

ORIGIN OF VASTU SHASTRA:
The origin of Vastu Shastra may have taken place well over thousands of years ago. It’s a part of Vedas which are believed to be 4000 to 5000 year old. The art of Vastu originated in the Stapatya Veda, a part of Attarva Veda. It used to be a purely technical subject and it was confined to architects (Sthapatis). 5000 years ago in Mahabharata, demon Mayan had designed place Maya Sabha as per Vastu Shastra guidelines.

Maya Sabha, Mahabharata Ayodhaya, Ramayana, Vastu finds mention in Ramayana as well. The construction of the holy city of Ayodhya where Lord Ram was born and ruled, shared a similarity with the plan written in the great Vastu architecture text MANASARA. Even in the archaeologically found cites like Harappa and Mohenjo-Daro the application of Vastu Shastra can be seen.

Harappan civilization:
Though it’s a known fact that Hindu temples are based on Vastu principles even Buddhist temples and monasteries are based on Vastu. Various Buddhist literatures make numerous mentions of buildings based on Vastu.

Buddhist Vihara:
One can see the application of Vastu Shastra not only in Monasteries ( viharas) and temples but also in buildings which are partly residential and partly religious (Ardhayogas), residential storied buildings (Prasadas), multi storied buildings( Harmyas) and also in residential buildings for middle class people (Guhas). It covers all buildings irrespective of their use: residential, commercial, industries, institutional etc. It deals with the selection of site, orientation and alignment of the buildings. It basically defines the various rules and regulations to ensure a proper flow of energy and to achieve harmony with the surrounding environment. Traditional Vastu Shastra does not usually promote the rectification of buildings but focuses on how to get it right from the beginning.

তন্ত্র সাধনা

তন্ত্র – ‘তন’ ধাতুর উত্তর ‘ত্র’ প্রত্যয় যোগে ‘তন্ত্র’ শব্দ সৃষ্টি হইয়াছে। “তনু বিস্তারে”। তন্ ধাতুর অর্থ বিস্তারিত হওয়া। ত্র- প্রত্যয়ের অর্থ ত্রাণ করা। ‘তন্ত্র’ জীবনকে এমন ভাবে বিস্তারিত করে যে, এই পথের সকল সাধক সমস্থ দুঃখ হইতে ত্রাণ লাভ করে। শিবশক্তি-প্রক্ত সাধন বিষয়ক সকল শাস্ত্রই তন্ত্র নামে অভিহিত। তান্ত্রিক সাধনায় জাতি-বর্ণনির্বিশেষে সবারই অধিকার আছে।

“যদা সা পরমা শক্তিঃ স্বেচ্ছয়া বিশ্বরূপিণী ।

স্ফুরত্তামাত্মনঃ পশ্যেত্তদা চক্রস্য সম্ভবঃ”।।

  • যখন সেই পরমা শক্তি স্বেচ্ছায় বিশ্বরূপিণী হয়ে নিজের স্ফুরত্তা অবলোকন করেন তখন চক্রের উৎপত্তি হয়।

বেদসূক্তে বর্নিত ‘দ্যাবাপৃথিবী’ মিথুনের কথা সকলেই অবগত আছেন। তন্ত্রে ইহাই শিব-শক্তি তত্ত্ব বা বিন্দুর বিসর্গ লীলা।

ব্রহ্মযোনিই ভগবানের স্বশক্তি, ইহার নিজস্ব কোন কামনা বা সঙ্কল্প নাই, কিন্ত্তু, জীবের সিসৃক্ষায় পরিস্পন্দিত হয়ে জাগ্রত হয় সঙ্কল্প, তখনই শক্তি ক্রিয়াবতী হন, ইহাই তাঁহার গর্ভধারণ।

সিসৃক্ষায় পরিস্পন্দিত হয়ে উথলে ওঠে সত্তা চৈতণ্য শক্তি, নিরাকার ব্রহ্ম ‘আ’ কার যুক্ত হয়ে ব্রহ্মা (সৃষ্টি কর্ত্তা) হন্, তাঁর মধ্যে জন্ম নেয় ‘ক্রোধ’, সেই ক্রোধ-দীপ্ত ভ্রূকুটি কূটিল ললাট থেকে মধ্যাহ্ন-সূর্যের সমান প্রভার অর্ধ-নারী-নর বপু প্রচন্ড ‘রুদ্র’ উৎপন্ন হয়। অহং জ্ঞান বিশিষ্ঠ আত্মা নিজেকে দ্বিধা বিভক্ত ক’রে। তখনই শুরু হয় ‘বিন্দুর বিসর্গ লীলা’।

                                “ত্বং বৈষ্ণবীশক্তিরনন্তবীর্য্যা, বিশ্বস্য বীজং পরমাসি মায়া।

সম্মোহিতং দেবি সমস্তমেত, – ত্ত্বং বৈ প্রসন্নাভুবিমুক্তিহেতুঃ”।। – শ্রীশ্রী চন্ডী ১১/৫

  • হে দেবি! তুমিই অসীম সামর্থ্য সম্পন্না বৈষ্ণবী শক্তি, তুমিই চরাচর জগতের মূল কারণ, তুমিই পরমা মহামায়া, তুমিই এই নিখিল জগৎকে সংসার-গর্ত্তে নিপাতিত করিতেছ। আবার, প্রসন্ন হইলে তুমিই সংসারে মুক্তির কারণ হইয়া থাক, অর্থাৎ, তুমি যাহার প্রতি প্রসন্না, তাহার এই সংসার মায়া হইতে মুক্তি লাভ হইয়া থাকে।

মূলাধার চক্র হইতে আজ্ঞা চক্র, – এই ছয়টি চক্র বা ষট-চক্র। ষট্-চক্রের প্রতিচক্রে একটি ঊর্দ্ধস্থ ও একটি অধঃস্থ এই দুইটি গ্রন্থি আছে, অর্থাৎ, ষট্-চক্রে মোট দ্বাদশ গ্রন্থি বা শক্তিচক্র আছে। অথবা, বলা যায় যে, পরাশক্তির এই ছয়টি ব্যাক্তাংশ শক্তির পরস্পর সংঘট্ট হইতে দ্বাদশ শক্তির বিকাশ হইয়া থাকে। উক্ত দ্বাদশ শক্তি-কেন্দ্রের যুক্তাবস্থা দ্বারা সৃষ্ট চক্রই ‘কালচক্র’, ইহা ঘোর রূপা শক্তি।

কালচক্র ও কালাতীত চক্র, এই দুই চক্রই বিসর্গ শক্তির প্রকাশ। ললাটের ঊর্ধ্বে অর্থাৎ, আজ্ঞাচক্রের ঊর্ধ্বে দ্বাদশান্ত বা ‘কালাতীতচক্র’ নামক দ্বাদশকলাত্মক সূর্যবিম্ব বিদ্যমান।

জীব যখন ‘মল’ মুক্ত হইয়া মহাবিদ্যার প্রসাদে পরশিব প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে ষট্-চক্র ভেদ পূর্বক শিব-শক্তি সামরস্য রূপ স্থির পাদুকা প্রাপ্ত হইয়া থাকে, তখন ঘোররূপা মায়াশক্তি সাধকের নিকট অঘোর রূপে দেখা দিয়া থাকেন। তখন সাধককে আর কর্মবন্ধনে বাঁধা পড়িতে হয় না।

“কুলং শরীরং মহাপ্রয়োজনহেতুতয়া জ্ঞেয়ং যেষং তে কৌলাঃ”।।

  • কুল অর্থে শরীর। মহাপ্রয়োজনহেতুরূপে তা যাঁদের জ্ঞেয় তাঁহারা কৌল। তাঁদের আচার কৌলাচার।

ললাটের ঊর্ধ্বে অঙ্গুলিবিস্তৃত স্থানকে বলা হয় দ্বাদশান্ত, ইহাতে দ্বাদশকলাত্মক সূর্যবিম্ব বিদ্যমান। দ্বাদশ কলাযুক্ত এই চক্রকে বিশ্বোত্তীর্ন ‘মহাকাল’ চক্র বলা যাইতে পারে, এই স্তরটি অকুল বা শিবের ক্ষেত্র। অপর পক্ষে, সুষুম্না কান্ড মধ্যে মুলাধার হইতে আজ্ঞাচক্র পর্যন্ত ছয়টি চক্র, ষটচক্রের প্রতিচক্রে একটি ঊর্ধ্বস্থ এবং একটি অধঃস্থ এই দুটি গ্রন্থি আছে, অর্থাৎ, দ্বাদশ সংখ্যক গ্রন্থি দ্বারা গঠিত পূর্ণচক্রকে বিশ্বগত ‘কালচক্র’ বলা হইয়া থাকে। কালচক্র হইল জীবের সংসার মায়া নামক বক্র পথ, এই স্তরে বিরাজ করছেন আদ্যাশক্তি মা ‘কালী’।  

জ্ঞানগঞ্জ ও সূর্য-বিজ্ঞান

ভগবান বুদ্ধ তাঁর অন্তিম সময়ে কালচক্র সম্বন্ধে জানিতে পারেন। তাঁর এই জ্ঞান তিনি অনুগত শিষ্য সকলের মধ্যে দান করিয়া ছিলেন। বজ্রযান বৌদ্ধধর্মানুসারে শম্ভালের প্রথম ধর্মরাজা সুচন্দ্র, গৌতম বুদ্ধের নিকট ‘কালচক্র-তন্ত্র’ সম্বন্ধে শিক্ষালাভ করিয়া ছিলেন। এই তন্ত্রের সাধনা করিয়া শম্ভাল একটি বোধিপ্রাপ্ত সমাজে পরিণত হইয়াছিল বলিয়া প্রবাদ প্রচলিত রহিয়াছে। তিব্বতের এই স্থানটিকে শম্ভালা বলা হইয়া থাকে। শম্ভালা অর্থ লইল, – ‘খুশির স্রোত’ বা আনন্দ ধারা। এই স্থানটি আধ্যাত্মিক শক্তির কেন্দ্র। কেহই এই স্থানটি সঠিক রূপে নির্ধারণ করিতে পারেনা। বৌদ্ধ সাধকগণ সাধন সিদ্ধিলাভ দ্বারা এই স্থানে পৌঁছাইতে পারেন। প্রযুক্তি বিদ্যার সাহায্যে মানচিত্রে এই স্থানের সন্ধান পাওয়া সম্ভব হয় নাই। ফ্রান্স, অ্যামেরিকা, রাশিয়া প্রভৃতি বিশ্বের বহু দেশের বৈজ্ঞানিকগণ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিবার পর অনুসন্ধান করিয়া দেখিয়াছেন যে, মানব শরীরে যদি নতুন নতুন কোষ উৎপন্ন হইতে থাকে এবং কোনো প্রকারে মানব শরীরে হর্মোন গুলিকে যদি ইচ্ছা শক্তিদ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় এবং অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলি সুস্থ-সবল থাকে তাহা হইলে মানুষ সহস্র বৎসর বাঁচিয়া থাকিতে সক্ষম হইবে। এটি ভারতীয় আয়ূর্বেদ শাস্ত্রেও লিখিত রহিয়াছে। জ্ঞানগঞ্জের যোগি ও যোগিনীগণ নিজদিগের আবেগ গুলিকে নিয়ন্ত্রিত করিয়া শারীরিক সৌন্দর্য্য ও যৌবনকে স্থির রাখিতে সক্ষম হন এমনকি বয়ঃবৃদ্ধি রোধ করিয়াও দেন। আধুনিক বিজ্ঞানে আবেগ নিয়ন্ত্রিত করিবার কোনো পদ্ধতি আবিস্কৃত হয় নাই, সে কারণে জরা, ব্যাধি ও মৃত্যুকে নিয়ন্ত্রণ করা বিজ্ঞান দ্বারা সম্ভবপর হয় না। এই সুন্দর হিমালয় পর্ব্বতমালার মধ্যেই লুক্কায়িত রহিয়াছে এই ‘জ্ঞানগঞ্জ’-মঠটি।

‘জ্ঞানগঞ্জ’-মঠটি মানুষের মধ্যেও রহিয়াছে, এই স্থানটি কোনো বিশেষ ধর্মীয় মতাবলম্বি দিগের জন্য নহে, নিজ সাধনার যোগ্যতা দ্বারা এই মঠটিকে খুঁজিয়া লইতে হয়। ১৯৩৩ খৃষ্টাব্দে ইংল্যাণ্ড-এর একজন ইংরেজ উপন্যাসিক, ‘James Hilton’ এই স্থানটিকে অনুভব করিয়াছিলেন এবং তাঁর লিখিত ‘Lost Horizon’- বইটির জন্য বিখ্যাত হইয়াছিলেন এবং, বইটি ছিল আন্তর্জাতিক দারুণ বিক্রীত (bestseller)।   

তিব্বতীয় গুরুগণ মনে করিয়া থাকেন, – যখন পৃথিবী প্রলয় কালের সম্মুখিন হইবে তখন শম্ভালা বা সিদ্ধাশ্রমের গুরুমণ্ডলী দ্বারা এই পৃথিবীর জীবের উদ্ধার এবং সংরক্ষণ সাধিত হইবে।

বজ্রযান বৌদ্ধধর্মে শম্ভাল নামক রাজ্যে বত্রিশজন শাসকের উল্লেখ পাওয়া যায়। এঁদের মধ্যে প্রথম সাত জন শাসক ধর্মরাজা (Truth Kings), এবং শেষ পঁচিশজন শাসক কল্কিরাজা (Kalki Kings) নামে পরিচিত।

এই স্থানে পৃথিবীর সকল জীবের ভাগ্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হইয়া থাকে। জ্ঞানগঞ্জে কাহারো মৃত্যু হয় না। এই স্থানে বসবাসকারী সন্ন্যাসীদিগের বয়স বৃদ্ধি-প্রাপ্ত হয় না। এই আশ্রমের সময় যিনি রুদ্ধ করিয়া দিয়াছেন সেই সন্ন্যাসী অদ্যাবধি ধ্যানে মগ্ন রহিয়াছেন। স্থান-কালের বা চতুর্মাত্রিক দেশ-কালের উর্দ্ধে এই ভূমি। স্থূল চক্ষুদ্বারা এই ভূমি দৃষ্ট হয় না। সাধন-সিদ্ধ সাধক বা সাধিকা গণই একমাত্র সূক্ষ্ম-শরীরে এই ভূমিতে পৌঁছাইতে পারেন, তাও শ্রী শ্রীমৎ জ্ঞানানন্দ পরমহংস যিনি, গুপ্তানন্দ নামে পরিচিত, তাঁহার অনুমতি ব্যাতিত কেহই এই ভূমিতে প্রবেশ করিতে পারেন না।

শ্রী শ্রীমৎ জ্ঞানানন্দ পরমহংস হইলেন এই মঠের প্রশাসক। শ্যামানন্দ পরমহংস হইলেন বিজ্ঞানী। যোগি বিশুদ্ধানন্দ যিনি ভোলানাথ নামে পরিচিত, ইঁনি শ্যামানন্দ পরমহংসের নিকট হইতে সূর্য-বিজ্ঞান বা ‘Solar Science’ – এর জ্ঞান লাভ করিয়াছেন।

এই ভূমিতে প্রবেশ করিতে হইলে প্রথমে একটি গুহা-মুখে প্রবেশ করিতে হয়। গুহার মুখ হইতে  আধ্যাত্মিক দিব্য জ্যোতিঃ সর্ব্বদা বিচ্ছুরিত হইতেছে। পর্বতবেষ্টিত একটি উপত্যকার মাঝে সাত মাইল বিস্তৃত এই আশ্রম। চতুর্দিকে দিব্য-তরল (চন্দ্রামৃত) পূর্ণ পরিখা, দেখিতে জ্যোতির ন্যায়। যাতায়াতের জন্য রহিআছে একটি ধনুরাকার ‘সেতু’। আশ্রমটি শিক্ষার ক্রম-অনুসারে স্তরে স্তরে সজ্জিত রহিয়াছে। প্রথম জ্ঞানগঞ্জ মঠ, দ্বিতীয় গুপ্ত সিদ্ধ-বিজ্ঞান আশ্রম ও তৃতীয়টি নিষ্কল সিদ্ধাশ্রম।

‘মহাচীনদেশ’- বলিতে অন্তর্জগতে আজ্ঞাচক্র (এই চক্রই হইল, গুপ্তআশ্রম, ইহাই কলা, ইহাই শাম্ভবী-যোগ ক্ষেত্র)- এবং, ইহার উর্দ্ধে যে ‘দ্বাদশান্ত’ বা দ্বাদশটি চক্র রহিয়াছে। চক্রগুলির ক্রম; – ‘হ’, ‘র’, ‘ঈ’, বিন্দু, অর্ধচন্দ্র, রোধিনী, নাদ, নাদান্ত, শক্তি, ব্যাপিকা, সমনা এবং উন্মনা। এই স্থানে দ্বাদশটি স্তরে সকল গুরুগণ নিত্য বর্তমান রূপে অবস্থান করিতেছেন।

Karmic Relationships (Astrology)

“Rinanubandhana” is a term used in spirituality which refers to the genetic (past life) memory and memory of intimate physical connect. It is this memory which is said to bind a parent and children, a husband and wife or any other intimate relationships.
Summarizing all this, the Rinanubandhana can be in the form of positive credit or a negative debt.
According to astrology, we learn from Rahu what our weaknesses are and, from Ketu, we learn how our strengths have been developed and accumulated since previous-birth. The “Karmic Relationships” between two people is judged by Astrology and is understood.
Each person is bound to his or her own work, according to the position of “Rahu” (North Node) and, according to the position of “Ketu” (South Node). Relationships are between them.
In astrology the previous-birth action from the horoscope is a sign of judgment; –

  1. From all the auspicious yogas that are added to the birth-horoscope of the Jataka / Jatika, the instruction of the initiated action will be found. In addition, the time of birth, the birth sign or the moon and the birth star must be well analyzed.
  2. First of all, the position of the debilitated planet, that is, the house lord of the debilitated house, has to be judged and the way in which the debilitated planet is located has to be seen.
  3. Fifth bhabha and Panchamadhipati are of utmost importance. Fifthly, the planets that coexist, and the planets that give full vision are specially judged. It is necessary to enjoy the fruits of the initiated deeds, it is not possible to prevent this karma in any way.
  4. If it is seen in the horoscope that the tenth house is inferior and the ninth house is weakened by being seen by the evil planet, then it is indicated that the evil deed or sinful deed was done by the Jataka / Jatika and he / she will do the same in the present birth.
  5. When the second house is afflicted by the influence of an evil planet or a sin planet, it is pointed out that the person born / cheated with many people in the previous birth. As a result of this deception, he will do the same in the present life, and he will take refuge in many lies in the present birth.
    In fact, we are responsible for our own misfortunes. We give priority only to our own personal well-being. Our ego controls our mind, heart and life as a whole. Only when we learn from this deep selfishness to a little selflessness will our good fortune arise through self-sacrifice.

In a person’s horoscope, Rahu indicates their desire to they want to achieve in life. On the other hand, Ketu indicates what you want to get rid of in life. When Rahu and Ketu unite with certain planets, you will get to know the kind of karmic relationship with a person. Such relationship can be identified through synastry, a comparison between two or more horoscopes in order to determine their relationship or compatibility. The synastry charts of people dear to you can be matched to find out the compatibility. Simply put, the way planets are placed in your horoscope is compared with the way the planets are placed in their horoscopes. For instance, if Ketu is in Cancer sign and the other person’s Ketu is also in the Cancer sign, you will see Ketu synastry.

Liberation from sufferings:(দুঃখ, কষ্ট ও কর্ম-বন্ধন থেকে মুক্তি)

Miseries and misfortunes are diseases stored in the fold of destiny, precisely in mind, and must appear in time, sooner or later, in this life or in any subsequent life. Man very commonly mistakes material prosperity for peace and is often overwhelmed by the rude shocks from grief. But sufferance is a process of inner cleansing and to get immunity from the diseased destiny. Destiny of decay, death and bereavements are natural in a life. But it is possible to act for liberation from the bondage of births and rebirths and the consequent sufferances and complete cessation of all pains of life. Purusakara by cultivation of cittasuddhi (চিত্তশুদ্ধি) or subha karma (শুভকর্ম) or vidya (শুদ্ধবিদ্যা ) have attributes of fire in them to burn the impurities in mind that originate from ignorance (অপবিদ্যা / অজ্ঞানতা) and to give the life immunity from sufferings.