Bengal Institute of Oriental Studies

Karmic Relationship Astrology (জ্যোতিষে পূর্ব জন্মের সম্পর্ক বন্ধন)

জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, রাহু থেকে আমরা জানতে পারি যে কিসে আমাদের দূর্বলতা এবং, কেতু থেকে আমরা নির্দেশ পাই যে, পূর্ব পূর্ব জন্ম থেকে আমাদের শক্তি কি ভাবে উন্নত ও পুঞ্জীভূত হয়ে রয়েছে। দুটি মানুষের মধ্যে জন্ম-জন্মান্তরের বন্ধন বা “Karmic Relationships” জ্যোতিষ দ্বারা বিচার এবং, বোঝা যায়।
প্রতিটি ব্যাক্তি তাঁদের নিজ নিজ কর্ম-বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকেন, “রাহু”(North Node) – এর স্থিতি অনুসারে এবং, ” কেতু”(South Node) এর স্থিতি অনুসারে দুটি মানুষের জন্ম-কূণ্ডলীতে cross checking দ্বারা বোঝা যায় যে, কি ধরনের কার্মিক সম্পর্ক তাদের মধ্যে রয়েছে।

পূর্ব-জন্মের ঋণ (Karmic debt / relationship):

“ऋणानुबन्धरूपेण पशुपत्निसुतालया:।
ऋणक्षये क्षयं यान्ति का तत्र परिवेदना॥“


অর্থাৎ, পূর্ব-জন্মের ঋণানুবন্ধ রূপের নির্দেশক।
আমরা সকলেই পূর্ব পূর্ব কর্মফলে আবদ্ধ পূর্ব জন্মের ঋণের দায়ে আমাদের এই জন্ম। আমদের পূর্ব-জন্মের পিতৃ-মাতৃ ঋণ তো আছেই, তা ছাড়াও, পোষা কুকুর, বিড়াল ইত্যাদি গবাদিপশু, পতি/পত্নী, সন্তান আরও অনেকের কাছেই আমরা ঋণী। আর, ঐ ঋণ পরিশোধ করতেই আমাদেরকে পুনরায় এই জন্ম নিতে হয়েছে।
আর, পূর্বের সঞ্চিত কর্মের স্মৃতি গুলি আমাদের মনের “অবচেতন”- নির্জ্ঞান স্তরে রহিয়াছে। এই মনের নির্জ্ঞান স্থরকে জ্যোতিষ শাস্ত্রে বলা হইয়াছে, “কেতুগ্রহ (Moon’s South Node) – টিই ইহার নির্দেশ”।

Law of Karma

Philosophers believe that all actions (Karma) done with a desire must produce results. It is a common experience to see that virtues suffer and vices flourish. Since action always produces result, therefore, the deeds of virtue in the past have effected
Prosperity in the present and the result of the vices will certainly affect miseries in this life or in the next. The result awaits time for expression. Miseries and misfortunes are diseases stored in the fold of destiny, precisely in mind, and must appear in time, sooner or later, in this life or in any subsequent life. Man very commonly mistakes material prosperity for peace and is often overwhelmed by the rude shocks from grief. But sufferance is a process of inner cleansing and to get immunity from the diseased destiny. Destiny of decay, death and bereavements are natural in a life. But it is possible to act for liberation from the bondage of births and rebirths and the consequent sufferances and complete cessation of all pains of life. Purusakara by cultivation of cittasuddhi (purification of mind) or subha karma (Dharma) or vidya (jnana) have attributes of fire in them to burn the impurities in mind that originate from ignorance (Avidya) and to give the life immunity from sufferings.

Destiny is inevitable in results. Man creates his own destiny. It is the product of his imagination which he as an artist portrays on the vast canvass of his life. His prides and prejudices, vanities and vagaries, fears and fantasies incite his imaginations to plan a future he longs and leans to have. Days after days, nights after nights he portrays his hopes and desires. If he goes into a way that is different from the tendency (Guna and Karma) of the life as indicated by time he will be in a difficult way. Destiny, precisely and materialistically, the environment to which he is placed reveals his acumen in the past in handling his tools of imaginations. If, however, the destiny manifest in a writ in wrinkles on forehead he can by his wisdom and from the profits of his experiences, precisely, by purusakara, largely mold and shape the future he chooses. To leave the destiny to drift on its course or to regulate it to a definite course is left to his own choice.
Destiny is correlated to time. Time reveals nature. Nature in relation to life shows the destiny. The celestial stars incessantly glide in space helps us to reckon time. The zodiac or the Kalachakra with the stars in it gives the knowledge of time. Man’s ability to peer into the mysteries of destiny or to mould it to his choice is concomitant with his knowledge of destiny and cosmic order on the background of time and space.

কর্ম ও কর্মফল (Karmic relationship)

পৃথিবীর যাবতীয় ঘটনা সার্বভৌমিক কার্য-কারণ-শৃঙ্খলের সহিত দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ। কারণ (cause) ব্যাতীত কোন কার্যই (effect) ঘটিতে পারে না। কার্য-কারণের এই সার্বভৌমিক নিয়মকে সংস্কৃত ভাষায় ‘কর্মফল’ বলা হইয়া থাকে। কার্য কারণের নিয়মে আবদ্ধ এই বিশ্বে অদৃষ্ট বা আকস্মিক ঘটনা বলিয়া কিছু থাকিতে পারে না। আমরা যাহাকে অদৃষ্ট অথবা আকস্মিক ঘটনা বলিয়া থাকি বস্তুতঃ উহা কতকগুলি সুনির্দিষ্ট কারণের ফল যেগুলিকে আমাদিগের সীমাবদ্ধ জ্ঞানের দ্বারা জানিতে পার না। প্রত্যেক ক্রিয়া নিজের অনুরূপ প্রতিক্রিয়াকে উৎপন্ন করে।
এই আপেক্ষিক জগতে দেশ ও কালের সীমার মধ্যে এরূপ কোনও কার্য করা সম্ভব নহে যাহা সম্পূর্ণ শুভ অথবা যে কর্মের ফলে জগতে কোথাও কোনরূপ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হইবে না। পুনরায় এরূপ কার্যও করা সম্ভব নহে যাহা সম্পূর্ণরূপে অনিষ্টকর।
আমাদিগের দুঃখ দৈন্যের জন্য পিতা-মাতাকে দোষ দিবার কোন আবশ্যকতা নাই। আমরা ইহ-জীবনে যাহা কিছু পাইয়াছি তাহা, আমাদিগের অতীত তথা পূর্ব-জন্মের কর্মের ফল।

Jyotir Vigyan or Jyotish is an Mystic Science:

“Vedic Astrology” course added in Indian University courses and decided that “There is an urgent need to rejuvenate the science of Vedic Astrology in India, to allow this scientific knowledge to reach to the society at large, and to provide opportunities to get this important science even exported to the world, the University Grants Commission decided to approve ‘in principle’ setting up of few departments of ‘Vedic Astrology’ in Indian universities.
This would provide a exclusive teaching and training in the subject leading to certificate, diploma, under-graduate, post-graduate and Ph.D. degrees”. The University Grants Commission approved the guidelines and decided that courses should be renamed as “JYOTIR VIGYAN”.