কালচক্রের মৌলিক ধারণা ও জ্যোতিষ:

কালচক্র পদ্ধতির প্রাথমিক ধারণাটি বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ড (microcosm) এবং, জীবাত্মা (macrocosm) পরিচিতির এক অতি-প্রাচীন ধারণা। কালচক্র জ্ঞান আমাদের জীবাত্মা (soul) এবং মহাজাগতিক (cosmic) শক্তির একটি সমন্বয় সাধন করে থাকে এবং, দুঃখ-দুর্দশা থেকে মুক্তির পথ দেখায় (liberation from suffering)।“কাল” অর্থে সময় এবং, “চক্র” অর্থে গোলাকৃতি মণ্ডল বা বৃত্ত। আমরা জানি যে, একটি বৃত্তের পরিধি ৩৬০ ডিগ্রী। আমাদের রাশিচক্রContinue reading “কালচক্রের মৌলিক ধারণা ও জ্যোতিষ:”

সদ্ গুরুর আশ্রিত শিষ‍্যই সহজে কর্ম্মরহস‍্য অবগত হতে পারেন।

সদ্ গুরুর আশ্রিত বিবেকী শিষ‍্যের পক্ষে কর্ম্মতত্বটির এই গহন রহস্য অবধারণ করা অপেক্ষাকৃত সহজতর। কেননা এইরূপ আশ্রিত শিষ‍্য প্রথমতঃ উপলব্ধি করেন – শ্রীগুরু চরণেআত্মসমর্পণ করার পর হতে তার যাবতীয় কাজকর্ম্ম, আশা – আকাঙ্খা তার সেই আশ্রয়দাতা সদ্ গুরুর আদেশ – নির্দেশেই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।অর্থাৎ , যন্ত্রীরূপে তিনি তাঁকে দিয়ে সবকিছু করিয়ে নিচ্ছেন। সুতরাং , সেই সমস্তContinue reading “সদ্ গুরুর আশ্রিত শিষ‍্যই সহজে কর্ম্মরহস‍্য অবগত হতে পারেন।”

মন এবং আত্মা

“আত্মা” – হল ‘চিৎকণা’ বা শক্তি, যাহা মানুষ, পশু, উদ্ভিদ, জল, স্থল, অন্তরীক্ষ সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। প্রতিটি জীবের হৃদয়ে জীবাত্মা (আত্মা) ও পরমাত্মা উভয়ই বতর্মান। পরমাত্মার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ আসিয়া জীবাত্মায় যখন প্রোথিত হয় তখন জীব তাহার জীবন লাভ করে। আবার জীবের মৃত্যুর পর সেই আত্মা পুনরায় পরমাত্মার কাছে চলে যায় এবং পরমাত্মার সাথে বিলীন হয়।Continue reading “মন এবং আত্মা”

জ্যোতিষ জ্ঞান, পূর্ব-জন্ম জ্ঞান ও কৈবল্য মুক্তি বা মোক্ষলাভ প্রসঙ্গ

ভারতীয় জ্যোতিষ হইল, একটি আধ্যাত্মবিদ্যা সম্পর্কিত শাস্ত্র। মানব, সংসার-সমুদ্রে কেবলমাত্র নিজকৃত কর্মফলই ভোগ করিয়া থাকে। জাতক-জীবনের যাবতীয় প্রাক্তন কর্মফল, জন্মলগ্ন ও দশমলগ্ন হইতেই বিচার্য্য। চন্দ্র হইল জাতকের ‘মন’, সূর্য্য হইল ‘আত্মা’, এবং, ‘কেতু’ হইল অবচেতন মনের নির্দেশক গ্রহ। কেতুর আর এক নাম ‘প্রজ্ঞা’। কেতু হইল আধ্যাত্মিক গ্রহ, ‘মোক্ষ’ কারক। পুণরায়, রাশিচক্রের ‘দ্বাদশতম’ ভাব হইতেছে ‘মোক্ষস্থান’।Continue reading “জ্যোতিষ জ্ঞান, পূর্ব-জন্ম জ্ঞান ও কৈবল্য মুক্তি বা মোক্ষলাভ প্রসঙ্গ”